Here are some simple steps you can take to begin the process of preparation for mediation
সহজে মুক্ত থাকা যায় চিরকাল। আপনাকে এর জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হবে না একেবারেই।
খুবই সহজলভ্য কয়েকটি খাবার আপনার রক্তনালীর সুস্থতা নিশ্চিত করবে।
(১) আপেলঃ আপেলে রয়েছে পেকটিন
নামক কার্যকরী উপাদান যা দেহের খারাপ
কোলেস্টেরল কমায় ও রক্তনালীতে প্লাক
জমার প্রক্রিয়া ধীর করে দেয়। গবেষণায়
দেখা যায় প্রতিদিন মাত্র ১ টি আপেল রক্তনালীর
ব্লক হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৪০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।
(২) ব্রুকলিঃ ব্রকলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে
ভিটামিন কে যা দেহের ক্যালসিয়ামকে হাড়ের
উন্নতিতে কাজে লাগায় এবং ক্যালসিয়ামকে
রক্তনালী নষ্ট করার হাত থেকে রক্ষা করে
থাকে। ব্রকলির ফাইবার উপাদান দেহের
কোলেস্টেরল কমায় এবং উচ্চ রক্তচাপের
ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।
(৩) দারুচিনিঃ দারুচিনির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
কার্ডিওভ্যস্কুলার সিস্টেমের সার্বিক উন্নতিতে কাজ করে থাকে। এছাড়াও গবেষণায় দেখা যায়
প্রতিদিন মাত্র ১ চামচ দারুচিনি গুঁড়ো দেহের
কোলেস্টেরল কমায় এবং রক্তনালীতে প্লাক
জমে ব্লক হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।
(৪) তৈলাক্ত মাছঃ তৈলাক্ত মাছ বিশেষ করে সামুদ্রিক তৈলাক্ত মাছের ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমিয়ে হৃদপিণ্ডকে চিরকাল সুস্থ ও নীরোগ রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
(৫)তিসীবীজঃ তিসীবীজে রয়েছে প্রচুর
পরিমাণে আলফা লিনোলেনিক অ্যাসিড যা উচ্চ
রক্তচাপ কমায় এবং রক্তনালীর প্রদাহকে দূর
করতে সহায়তা করে এবং সেই সাথে রক্তনালীর সুস্থতা নিশ্চিত করে।
(৬) গ্রিন টিঃ গ্রিন টি অর্থাৎ সবুজ চায়ে রয়েছে
প্রচুর পরিমাণে ক্যাচেটিন যা দেহে কোলেস্টেরল শোষণ কমায় এবং
হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে বিশেষভাবে সহায়তা
করে। প্রতিদিনের চা কফির পরিবর্তে গ্রিন টি পান
করলে দেহের সুস্থতা নিশ্চিত হয়।
(৭) কমলার রসঃ গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন ২ কাপ পরিমাণে শুধুমাত্র বিশুদ্ধ কমলার রস পান করলে রক্ত চাপ স্বাভাবিক থাকে। এবং কমলার রসের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তনালীর সার্বিক উন্নতিতে কাজ করে ফলে রক্তনালী ড্যামেজ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।